Showing posts with label আসুন সচেতন হই. Show all posts
Showing posts with label আসুন সচেতন হই. Show all posts

Sunday, September 12, 2010

ঈদের খুশিতেও যেন সবুজ পৃখিবীর কথা মনে থাকে.....

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর অনেক আনন্দ আর খুশির বার্তা নিয়ে আমাদের দুয়ারে এসেছে পবিত্র ঈদ উল ফিতর। এই ঈদ অপার আনন্দ আর খুশির অমীয় ধারায় ভরিয়ে দিক আমাদের সকলের হৃদয়কে। অশেষ শান্তি আর সবুজময় হোক আমাদের এই বসুন্ধরা- এই শুভকামনায় সবাইকে ঈদ মোবারক।
ঈদ শেষে এবার সবার বাড়ী ছাড়ার পালা। শত  ব্যস্ততার মাঝেও আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি, বাড়ী এসে বাসস্থান নির্মাণ ও অন্যান্য প্রয়োজনে প্রতি বছর যে বৃক্ষগুলো নিধন করছি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্যে সেই পরিমান বৃক্ষের চারা রোপন করছি কি? আমরা কি পারিনা, বাড়ী ছাড়ার আগে প্রত্যেকেই অন্তত একটি করে প্রয়োজনীয় বৃক্ষের চারা রোপন করতে? একবার ভেবে দেখেছেন, প্রায় এক কোটি মানুষ কর্মস্থল ছেড়ে নিজ নিজ বাড়ী গেছেন প্রত্যেকেই যদি একটি করে বৃক্ষের চারা রোপন করেন তাহলে এই দেশ কতটা সবুজময় হয়ে উঠবে? প্লিজ, সবাই অন্তত একটি করে বৃক্ষের চারা রোপন করে তবেই বাড়ী ছাড়ুন। দেখবেন এতে যারা বাড়ীতে আছেন তারাও আপনাকে অনুস্বরন করছেন। এভাবে সকলের প্রচেষ্ঠায় আমার প্রিয় বাংলাদেশ ভরে উঠবে সবুজের সমারোহে। মনে রাখবেন বাংলাদেশ বাঁচলেই বিশ্ব বাঁচবে।  

Thursday, April 22, 2010

বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে আমাদের অঙ্গীকার


আজ বাইশে এপ্রিল সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে ধরিত্রী দিবস। যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনেটর গেলরড নেলসন ১৯৭০ সালে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন তারই ধারাবাহিকতায় এসেছে এই দিবস। তখন তিনি এর নাম দিয়েছিলেন এনভায়রনমেন্টাল টিচ-ইন। এ আন্দোলনের প্রথম সম্মেলনে প্রায় ২০ মিলিয়ন লোককে যুক্ত করেছিলেন নেলসন। এবার দিবসটির ৪০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২০০৯ সালে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মানুষ ধরিত্রী দিবস পালন করেছিল। কিন্তু আন্দোলনে মানুষের অংশগ্রহণ যতটা স্বতঃস্ফূর্ত ছিল সে অনুযায়ী তার ফল কি বিশ্ববাসী পেয়েছে?

Thursday, March 25, 2010

জলবায়ু দূষণে আমাদের অংশীদারিত্বও কম নয়

একথা সর্বজন স্বীকৃত যে ধনী দেশগুলোর শিল্প কারখানা থেকে লাগামহীন অবিরাম কার্বন নির্গমনের জন্যই জলবায়ুর এত মারাত্নক দূষণ ঘটছে। কিন্তু তাই বলে আমরা গরীব দেশের মানুষেরা যে মোটেই এজন্য দায়ী নই তা নয়। আমাদের নিয়ম কানুন, পরিকল্পনা, দৈনন্দিন জীবন যাপনের অভ্যাস এবং সর্বোপরি আমাদের উদাসীনতার জন্যও পরিবেশ তথা জলবায়ুর দুষণ ঘটছে। তাই আমাদেরও সচেতন হতে হবে।

Friday, February 12, 2010

রাজনীতিবিদেরা যা বুঝছেন না

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আমি বহু বছর থেকে কাজ করে আসছি। প্রথমে গবেষক হিসেবে আমার দেশ বাংলাদেশে, পরে আন্তর্জাতিক স্তরে। আফ্রিকার ঊষর অঞ্চলে, হিমালয় পর্বতে এবং এশিয়ার বদ্বীপগুলোর বিপুল বিস্তৃত নিম্নভূমিতে কীভাবে জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটছে, তা আমি চাক্ষুষ করেছি। বছরের পর বছর আমি জাতিসংঘের নিষ্ফল জলবায়ুবিষয়ক সম্মেলনও দেখেছি। এগুলো কোনো অবদানই রাখতে পারেনি, কারণ আলোচকেরা আগামী প্রজন্মকে সুরক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বদলে সংকীর্ণ জাতীয় ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করতেই ব্যতিব্যস্ত ছিলেন।

স্থানীয় উদ্যোগ ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই

পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার

গত শনিবার কক্সবাজার ও রাঙামাটিতে স্থানীয় জনগণ পাহাড়, বন, হ্রদ ধ্বংস না করার অঙ্গীকার করেছে। জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমবেত হয়েছেন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার দাবিতে। একটি সুন্দর পৃথিবী রেখে যাওয়ার লক্ষ্যে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের এমন সম্মিলন নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক।

Thursday, February 11, 2010

আসুন, সবুজ হই

আমার মুঠোফোনটা চার্জারের তার থেকে বিচ্ছিন্ন করার সঙ্গে সঙ্গে একটা লেখা ভেসে ওঠে পর্দায়, আপনার চার্জারটা খুলে রাখুন, এতে কিছু বিদ্যুত্ অপচয় রোধ হবে। একটা চার্জার যদি মুঠোফোনের সঙ্গে যুক্ত না থাকে, কতটুকুন আর বিদ্যুত্ খরচ হবে। কিন্তু ওই অতটুকুন বিদ্যুত্ও বেশি খরচ করতে নেই। সবাই যদি একটু একটু করে বিদ্যুত্ সাশ্রয় করে, তাহলে তা একত্র হয়ে সাশ্রয়ের পরিমাণটাকে করে তুলবে বিশাল।