জলবায়ু পরিবর্তন শুধু মানবজাতির জন্য নয়, সমগ্র প্রাণীকুলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বৈশ্বিক উষ্ণতা, কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধির জন্য বিশ্বের শিল্পোন্নত ও ধনী দেশগুলো দায়ী। আর এর ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বাংলাদেশের মতো স্বল্পোন্নত ও গরিব দেশগুলো। গত সোমবার ‘বৈদেশিক ঋণ, জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশে দারিদ্র্য পরিস্থিতি’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
Saturday, February 13, 2010
বন্যার পানিতে টিকে থাকবে এমন তিন জাতের ধান উদ্ভাবন
বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না—এমন তিন জাতের ধান উদ্ভাবন করা হয়েছে। ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইআরআরআই) চার বছর গবেষণা করে বাংলাদেশের মাটিতে এই ধান উদ্ভাবন করেছে। বুধবার ঢাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ কথা জানান।
১০০ কিলোমিটার সৈকত রক্ষায় নতুন প্রকল্প
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ভাঙন রোধে তিন বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর নাম ‘কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প’। প্রকল্পের আওতায় সৈকতে চার সারিতে বিপুল পরিমাণ নারকেলগাছ লাগানো হবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা।
উপকূলীয় অবকাঠামো জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়
বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনার জন্য যেসব অবকাঠামো রয়েছে, জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলায় তা যথেষ্ট নয়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় উপকূলের ১৭ শতাংশ এলাকাকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে উপকূলীয় বেড়িবাঁধগুলোর উচ্চতা আরও সাড়ে চার ফুট বাড়াতে হবে। উপকূলীয় পোল্ডারগুলোর (লবণপানি আটকানোর জন্য তৈরি অবকাঠামো) নকশা পাল্টে মেরামত ও নতুন পোল্ডার তৈরি করার জন্য ৩১ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে চালানো সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ কথা বলা হয়েছে।
শিশুদের জলবায়ু ফোরামের ঘোষণাঃ প্রতিকূলতা মোকাবিলায় শিশুরা প্রস্তুত বড়দেরও সাহসী হতে আহ্বান
পৃথিবীর সবার চোখ যখন জলবায়ু সম্মেলনে, তখন সারা বিশ্বের শিশুরাও সেখানে উপস্থিত। মোট ৪৪টি দেশের ১৬৪ জন শিশু কোপেনহেগেনে উপস্থিত হয়ে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তাদেরও করণীয় আছে বলে দাবি তুলেছে। তারা একত্রিত হয়ে একটি ঘোষণা তৈরি করেছে এবং নিজেদের দেশে সেটা কার্যকর করার প্রতিজ্ঞা করেছে। গতকাল বুধবার সম্মেলনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি চার শিশু অভিজ্ঞতা বর্ণনাকালে সাংবাদিকদের এসব কথা জানায়।
কক্সবাজারে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনঃ ‘জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এগিয়ে আসুন’
‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বিশ্বে যেসব উন্নয়নশীল দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আর বাংলাদেশের মধ্যে পর্যটন শহর কক্সবাজার আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। উপকূলীয় এলাকা বিলীন হচ্ছে। ভাঙছে দ্বীপাঞ্চলের প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ ও বসতভিটা। নষ্ট হচ্ছে আবাদি জমি ও সাগর এবং নদীতে দেখা দিয়েছে মাছের আকাল। ভবিষ্যতে এর ভয়াবহতা আরও বাড়বে। তাই জলবায়ু পরিবর্তন রোধে আমরা শিক্ষার্থীরা মাঠে নেমেছি। আপনারাও এগিয়ে আসুন।’
চট্টগ্রামে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ঘণ্টাধ্বনি, মানববন্ধন, শপথ
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গতকাল রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে মানববন্ধন ও প্রতীকী ঘণ্টাধ্বনি করা হয়েছে।
বেসরকারি সংস্থা কারিতাসের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয় এ মানববন্ধন, ঘণ্টাধ্বনি ও পরিবেশ রক্ষায় শপথবাক্য পাঠ কর্মসূচির আয়োজন করে। মানববন্ধনে প্রায় ৪০০ নারী-পুরুষ অংশ নেয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি সবাইকে পরিবেশ রক্ষার জন্য শপথবাক্য পাঠ করান এবং পরে ঢাকে বাড়ি দিয়ে প্রতীকী ঘণ্টা বাজান।
বেসরকারি সংস্থা কারিতাসের চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয় এ মানববন্ধন, ঘণ্টাধ্বনি ও পরিবেশ রক্ষায় শপথবাক্য পাঠ কর্মসূচির আয়োজন করে। মানববন্ধনে প্রায় ৪০০ নারী-পুরুষ অংশ নেয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তিনি সবাইকে পরিবেশ রক্ষার জন্য শপথবাক্য পাঠ করান এবং পরে ঢাকে বাড়ি দিয়ে প্রতীকী ঘণ্টা বাজান।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান শিকার দরিদ্র নারীগোষ্ঠী
বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান শিকার দরিদ্র দেশের দরিদ্র শ্রেণীর নারীগোষ্ঠী। দারিদ্র্য, পরিবার ও সমাজে নিজের অবস্থান এবং সন্তান জন্মদান ও লালন-পালনে বেশি যুক্ত থাকার কারণে পুরুষের চেয়ে নারীকে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বেশি বহন করতে হচ্ছে। জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক শাখা হচ্ছে
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় পাঁচটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ট্রাস্টি বোর্ড। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হবে ৫২ কোটি টাকা। এ ছাড়া জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে আলাদা একটি শাখা খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য এক সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।
দক্ষিণাঞ্চলে বিকল্প জীবিকার পথ বের করতে হবে
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে আছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারকে এখনই সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। এ অঞ্চলের মানুষের জন্য বিকল্প জীবিকার পথ বের করতে হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের জীবনও বিপন্ন হবে
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পান্ডার মতো একদিন মানুষের জীবনও বিপন্ন হবে। উন্নত দেশগুলোর শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে বের হওয়া কার্বনের কারণে বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়ছে। গতকাল বুধবার বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এ কথা বলেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে স্বাস্থ্যে
জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে জনস্বাস্থ্যে। বিভিন্ন রোগসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মানুষ আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেশের চিকিত্সকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর্মীর এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
জলবায়ু পরিবর্তনে বেশি ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের
১৯৯০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে বাংলাদেশ। এর পরই আছে মিয়ানমার ও হন্ডুরাস। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিবিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। খবর এএফপির।
Friday, February 12, 2010
Subscribe to:
Posts (Atom)


