Tuesday, April 20, 2010
হিমালয়ের হিমবাহগুলো দ্রুত গলছে, তথ্যটি ভুল
হিমালয়ের বরফ গলে যাচ্ছে৷ আর এই হিমবাহগুলো গলে যাওয়ার মাত্রা এতটাই দ্রুত যে বিশ্বের উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০৩৫ সালের মধ্যে হিমালয়ের এই হিমবাহগুলো গলে যাবে৷ জাতিসংঘের ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি) এই তথ্যই জানিয়েছিল সম্প্রতি৷ কিন্তু এখন বলা হচ্ছে এই পূর্বাভাষ একটি ‘একটি দুঃখজনক ভুল'৷.....ডয়েচে ভেলের এই ফিচারটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন
জলবায়ুর পরিবর্তনে মরতে পারে ৪ লাখ শিশু
ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বন্যা আর খরায় প্রতি বছর প্রাণ হারাতে পারে ৪ লাখ শিশু৷ শিশু দাতব্য সংস্থা সেভ দ্যা চিলড্রেন জানাচ্ছে এমন তথ্য৷ সেভ দ্যা চিলড্রেন সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পানিবাহিত রোগ আর খাদ্যাভাবজনিত কারণে আগামী বছর প্রাণ হারাতে পারে আড়াই লাখ শিশু৷ ২০৩০ সাল নাগাদ এই শিশু মৃত্যুর হার বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৪ লাখে৷ সেভ দ্যা চিলড্রেন এর মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত......ডয়েচে ভেলের এই ফিচারটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন.
জলবায়ু দূষণের প্রভাব পড়ছে জনসংখ্যাতেও
‘ক্লাইমেট চেঞ্জ’ বা জলবায়ু দূষণ কী জনসংখ্যাতেও প্রভাব ফেলছে? জাতিসংঘের জনসংখ্যা রিপোর্টের ইঙ্গিত তেমনই৷ বাড়ছে ধনী দরিদ্রের ভেদাভেদ, বাড়ছে নারী পুরুষের সংখ্যার তারতম্য৷ জলবায়ুতে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে দূষিত কার্বনের মাত্রা৷ ছড়িয়ে পড়ছে মাত্রাতিরিক্ত ভাবে৷ দূষণের ফলে নদী তার নাব্যতা হারাচ্ছে, গলে যাচ্ছে মেরুর বরফ, বেড়ে চলেছে উষ্ণতা ক্রমাগত৷ ঋতু পরিবর্তনে বিস্ময়কর ভাবে উধাও.....ডয়েচে ভেলের এই ফিচারটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন.
জলবায়ু পরিবর্তন: গাছপালা ও প্রাণীকূল সর্বোচ্চ হুমকির মুখে
বিশ্বব্যাপী জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ দূষণের ফলে বর্তমানে যে প্রক্রিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে তাতে পৃথিবীর ২০ থেকে ৩০ শতাংশ গাছপালা ও প্রাণী রয়েছে সর্বোচ্চ হুমকির মুখে৷ যারা পৃথিবী হতে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে৷ বিশ্বের তাপমাত্রা ১.৫ হতে ২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায় তবে ২০-৩০ শতাংশ গাছপালা ও পশু পাখির জীবনের উপর ভয়াবহ ঝুঁকির সম্ভাবনা বিদ্যমান৷ অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীতে গ্রিন হাউস গ্যাসের প্রভাবে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, ঝড়ঝঞ্ঝা, খরা, বন্যা, বরফ গলে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি......ডয়েচে ভেলের এই ফিচারটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়বে শস্য উৎপাদনে
গবেষকরা আশংকা করছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে শস্য উৎপাদন ৫০ শতাংশ কমে যাবে৷ এর ফলে ঐ অঞ্চলে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের মাত্রা আরো বেড়ে যাবে৷ এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঐ অঞ্চলের কিছু অংশে ভয়াবহ বন্যা আবার অন্য অংশে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচন্ড খরা বিরাজ করবে বলে আশংকা করা হচ্ছে৷ এমনকি কিছু অংশে জমির উর্বরতা কমে গিয়ে শস্য উৎপাদন হ্রাস পাবে৷ ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ায় বেড়ে যাবে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের মূল্য৷ডয়েচে ভেলের এই ফিচারটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন.
Friday, April 16, 2010
ভোট দেওয়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ
আর্ন্তজাতিক ব্লগ কনটেস্টে এই ব্লগটি ক্লাইমেট চেন্জ ক্যাটাগরিতে ইন্টারনেট ভোটিংয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ???
এমন কিছু প্রাপ্তি আছে যে প্রাপ্তির কোন তুলনা হয়না। কোন কিছুর বিনিময়ে যে প্রাপ্তির কোন মূল্য শোধ করা যায়না। সেরকম একটা মহা প্রাপ্তি আমার এই ক্ষুদ্র হৃদয়কে কানায় কানায় ভরে দিয়েছে। আপনারা এই ব্লগটিকে যেভাবে ভোট করে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয় স্থানে নিয়ে গিয়েছেন আমি আসলে ততটা আশা করিনি। একজন আনকোরা ব্লগার হিসাবে অতটা আশা করা অন্যায়। যারপরনাই আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা আমার জানা নাই। আমি সত্যিই অভিভূত এবং কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে এরূপ যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার যে মহামন্ত্র, যে মহাশক্তি আমি আপনাদের কাছ থেকে পেলাম এটাই আমার সব চেয়ে বড় প্রাপ্তি। যারা আমার এই ব্লগটিকে ভোট করেছেন, মূল্যবান মতামত রেখেছেন এবং আমাকে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সবাইকে আমার হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা আর ধন্যবাদ রইল।
Saturday, April 10, 2010
জলবায়ু পরিবর্তন : কৃষিতে প্রকৃতির অচেনা অভিঘাত
জলবায়ু পরিবর্তনে বৈশ্বিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চেনা প্রকৃতি দিন দিন অচেনা হয়ে উঠছে। হারিয়ে যাচ্ছে ঋতু ও কৃষিবৈচিত্র্য। সাংবাৎসরিক খরা-বন্যা ও শিলাঝড়ের সঙ্গে যোগ হয়েছে অধিক ঠাণ্ডা ও শৈত্যপ্রবাহ। কোনো কোনো এলাকায় শীতের পারদ ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাচ্ছে।
Thursday, March 25, 2010
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে মরুময় বাংলাদেশ
বাংলাদেশের মানুষ প্রতি দিন প্রতি মুহুর্তে তীলে তীলে অনুভব করছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব। গ্রীষ্মকাল শুরু হতে না হতেই এখানে শুরু হয় পানিশূন্যতা। পুকুর খাল বিল নদী নালা ফসলের মাঠ সবকিছু শুকিয়ে
জলবায়ু দূষণে আমাদের অংশীদারিত্বও কম নয়
একথা সর্বজন স্বীকৃত যে ধনী দেশগুলোর শিল্প কারখানা থেকে লাগামহীন অবিরাম কার্বন নির্গমনের জন্যই জলবায়ুর এত মারাত্নক দূষণ ঘটছে। কিন্তু তাই বলে আমরা গরীব দেশের মানুষেরা যে মোটেই এজন্য দায়ী নই তা নয়। আমাদের নিয়ম কানুন, পরিকল্পনা, দৈনন্দিন জীবন যাপনের অভ্যাস এবং সর্বোপরি আমাদের উদাসীনতার জন্যও পরিবেশ তথা জলবায়ুর দুষণ ঘটছে। তাই আমাদেরও সচেতন হতে হবে।
Thursday, March 4, 2010
জলবায়ু পরিবর্তন ও মানসিক স্বাস্থ্য
জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন একটি দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ুর পরিবর্তন, যা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মনুষ্যসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী এবং যে পরিবর্তনটি দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য। জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট ক্ষতিকর প্রভাবগুলোর মধ্যে পরিবেশ থেকে শুরু করে জীববৈচিত্র্য, খাদ্য, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিল্প, মানববসতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিদ্যমান।
স্বাস্থ্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। চর্মরোগ, অ্যাজমাসহ অন্যান্য রোগের প্রকোপও বাড়ছে। এসব সমস্যাসহ স্বাস্থ্য খাতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো চিহ্নিত করতে হবে। এ নিয়ে জনসচেতনতা তৈরি করে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
পরিবেশ সংকটঃ ইসলামী অনুশাসন
ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি এত বাস্তবমুখী ও ফলপ্রসূ যে, ইসলাম প্রকৃতি বা পরিবেশ সম্পর্কে মৌলিক নীতিমালা উপস্থাপন করেছে যা পৃথিবীর অন্য কোন জীবন ব্যবস্থায় খুঁজে পাওয়া যায় না। প্রথমেই আমরা বলতে পারি আমাদের চারপাশের পরিমন্ডল, আকাশ, বাতাস, মাটি, পানি, গাছপালা ইত্যাদি যা পরিবেশ হিসাবে খ্যাত এগুলো সবই মহান স্রষ্টার অপূর্ব নিয়ামত। এ সবকিছু মহান আল্লাহর অসীম কুদরতের নিদর্শন।
জলবায়ু পরিবর্তন ও মনের আবহাওয়া
গত কয়েক মাসে পৃথিবীতে যে বিষয়টি সম্ভবত সবচেয়ে বেশিবার আলোচিত হয়েছে, তা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় ওপরের দিকে আছে বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশের নামটিও আলোচনায় এসেছে বহুবার। বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ার প্রভাবে ভৌগোলিক যে পরিবর্তন হবে, বা এর ফলে শারীরিক যা যা সমস্যা হতে পারে, তা নিয়ে বলা হয়েছে বিস্তর।
Subscribe to:
Posts (Atom)













