বার বার প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ৷ সিডরের ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই, গত বছরের ২৫শে জুন আইলার আঘাতে দেশের উপকুলীয় এলাকায় প্রাণ হারায় প্রায় দেড় শতাধিক মানুষ৷
সহায় সম্বল, এমনকি বসত ঘর হারিয়ে এক লাখ মানুষ হয়ে পড়েছে জলবায়ু উদ্বাস্তু৷
জলবায়ুর পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের প্রধান সমস্যা। জলবায়ুর দ্রুত গতির এই পরিবর্তনে বিপর্যস্ত বিশ্ব-প্রকৃতি। জীবন-মৃত্যুর মাঝখানে আমরা তৃতীয় বিশ্বের জনগণ। সহজ ভাষায় বলতে গেলে “ধনী দেশগুলোর পাপের ফল ভোগ করছি আমরা গরীব দেশগুলোর মানুষেরা”। বিপর্যস্ত প্রকৃতির হিংস্র ছোবলে বারবার পরাস্ত দক্ষিণ এশিয়ার জনপদ- কেমন আছি আমরা..? কিইবা আমাদের ভবিতব্য..?
আজ বাইশে এপ্রিল সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে ধরিত্রী দিবস। যুক্তরাষ্ট্রের একজন সিনেটর গেলরড নেলসন ১৯৭০ সালে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন তারই ধারাবাহিকতায় এসেছে এই দিবস। তখন তিনি এর নাম দিয়েছিলেন এনভায়রনমেন্টাল টিচ-ইন। এ আন্দোলনের প্রথম সম্মেলনে প্রায় ২০ মিলিয়ন লোককে যুক্ত করেছিলেন নেলসন। এবার দিবসটির ৪০তম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২০০৯ সালে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মানুষ ধরিত্রী দিবস পালন করেছিল। কিন্তু আন্দোলনে মানুষের অংশগ্রহণ যতটা স্বতঃস্ফূর্ত ছিল সে অনুযায়ী তার ফল কি বিশ্ববাসী পেয়েছে?
বাংলাদেশের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, কোপেনহেগেন সম্মেলনে আইনগত বাধ্যবাধকতা সম্বলিত একটি চুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে বাংলাদেশের যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণ হয়নি৷ ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন৷